Friday, 1 January 2016

হাদীস সম্পর্কে কিছু জরুরী ঞ্জান- হাদীসের সংগা ও প্রকারভেদ

হাদীস সম্পর্কে কিছু জরুরী ঞ্জান- হাদীসের সংগা ও প্রকারভেদ
হাদীসের ব্যাবহারিক সংজ্ঞাঃ হাদীস বলতে সাধারনতঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা, কর্ম বা অনুমোদনকে বুঝানো হয়। অর্থাৎ, ওহীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞানের আলোকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যা বলেছেন, করেছেন বা অনুমোদন করেছেন তাকে হাদীস বলা হয়। এবং হাদীস বলে যা জানা যায় তা সত্যিই রাসুল (সাঃ) এর কথা কিনা তা যাচাই করে নির্ভরতার ভিত্তিতে মুহাদ্দিসগণ হাদীসের বিভিন্ন প্রকারে ও পর্যায়ে বিভক্ত করেছেন।
আমরা প্রায়ই শুনে থাকি এমন আরও কিছু শব্দের সহজ সংজ্ঞা এখানে দেওয়া হল-
মুহাদ্দিসঃ যে ব্যক্তি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের ‘সনদ’ ও ‘মতন’ সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন, তাঁকে মুহাদ্দিস বলে।
সনদঃ হাদীসের মূল কথাটুকু যে সুত্র পরম্পরায় হাদীসের গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে ‘সনদ’ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।
মতনঃ হাদীসের মূল কথা বা বক্তব্য ও তার শব্দ সমষ্টিকে ‘মতন’ বলে।
রিওয়ায়াতঃ হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলে। যেমন, এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে। হাদীস বর্ণনাকারীকে রাবী বলা হয়।
সাহাবীঃ যে ব্যাক্তি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সাহচর্য লাভ করেছেন বা তাঁকে দেখেছেন ও তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন, অথবা জীবনে একবার তাঁকে দেখেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সাহাবী বলে।
তাবিঈঃ সাহাবীদের ঠিক পরের প্রজন্মের কোন ব্যক্তি যিনি রাসুল (সাঃ) এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততঃপক্ষে সাহাবীকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাঁকে তাবিঈ বলে।
মারফু হাদীসঃ যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে শুরু হয়, তাকে মারফু হাদীস বলে। অর্থাৎ, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কর্ম, কথা বা অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদীসকে মারফু হাদীস বলে। *
মাওকুফ হাদীসঃ সাহাবীগনের কর্ম, কথা বা অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদীসকে মাওকুফ হাদীস বলে।*
মাকতু হাদীসঃ তাবেয়ীগনের কথা, কর্ম বা অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদিসকে মাকতু হাদীস বলে।*
মুত্তাসিল হাদীসঃ যে হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে, কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পরেনি, তাকে মুত্তাসিল হাদীস বলে।
মুরসাল হাদীসঃ যে হাদীসের সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে এবং তাবিঈ সরাসরি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর উল্লেখ করে হাদীস বর্ণনা করেছে, তাকে মুরসাল হাদীস বলে।
সহীহ হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যে হাদীসের মধ্যে ৫ টি শর্ত পূরণ হয়েছে তাকে সহীহ হাদীস বা বিশুদ্ধ হাদীস বলে। শর্ত ৫ টি হল-
১) হাদীসের সকল বর্ণনাকারী বা রাবী পরিপূর্ণ সৎ ও বিশ্বস্ত বলে প্রমানিত। একে ‘আদালত’ বলে।
২) সকল রাবীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণরূপে বিদ্যমান বলে প্রমানিত। একে ‘যাবতা’ বলে।
৩) সনদের প্রত্যকে রাবী তাঁর ঊর্ধ্বতন রাবী থেকে স্বকর্ণে হাদিসটি শুনেছেন বলে প্রমানিত। একে ‘ইত্তিসাল’ বলে।
৪) হাদীসটি অন্যান্য প্রমানিত হাদীসের বর্ণনার বিপরীত নয় বলে প্রমানিত। একে ‘শুযুয মুক্তি’ বলে।
৫) হাদিসটির মধ্যে সূক্ষ্ম কোন সনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নেই বলে প্রমানিত। একে ‘ইল্লাত মুক্তি’ বলে।
হাসান হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যেসব হাদীসে সহীহ হাদীসের ৫ টি শর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় শর্ত অর্থাৎ, ‘যাবতা’ বা হাদীস বর্ণনাকারীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ কিছুটা দুর্বল বলে বোঝা যায়, সেই হাদিসকে হাসান হাদীস বা গ্রহণযোগ্য হাদীস বলা হয়। অর্থাৎ, যদি সনদে উল্লেখিত কোন একজন রাবীর বর্ণিত হাদীসের মধ্যে কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটি লক্ষ্য করা যায়, তাহলে এইরূপ রাবীর বর্ণিত হাদীস ‘হাসান হাদীস’ বলে গন্য।
ফিকহবিদগণ সাধারণত সহীহ ও হাসান হাদীসের ভিত্তিতে শরীয়তের বিধান নির্ধারণ করেন।
যঈফ বা দুর্বল হাদীসঃ যে হাদীসের মধ্যে হাসান হাদীসের শর্তগুলি অবিদ্যমান দেখা যায়, মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় তাকে যঈফ হাদীস বলে। অর্থাৎ,
১- রাবীর বিশ্বস্ততার ঘাটতি, বা
২- তাঁর বিশুদ্ধ হাদীস বর্ণনা বা স্মৃতির ঘাটতি, বা
৩- সনদের মধ্যে কোন একজন রাবী তাঁর ঊর্ধ্বতন রাবী থেকে সরাসরি ও স্বকর্ণে শোনেননি বলে প্রমানিত হওয়া বা দৃঢ় সন্দেহ হওয়া, বা
৪- অন্যান্য প্রমানিত হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়া, অথবা
৫- সূক্ষ্ম কোন সনদগত বা অর্থগত ত্রুটি থাকা;
ইত্যাদি যে কোন একটি বিষয় কোন হাদীসের মধ্যে থাকলে হাদিসটি যঈফ বলে গণ্য। কোন হাদিসকে ‘যঈফ’ বলে গণ্য করার অর্থ হল, হাদিসটি রাসুল (সাঃ) এর কথা নয় বলেই প্রতীয়মান হয়।
মাউযু হাদীস বা বানোয়াট হাদীসঃ যে হাদীসের রাবী জীবনে কখনও ইচ্ছাকৃত ভাবে রাসুল (সাঃ) এর নামে বানোয়াট কথা সমাজে প্রচার করেছে অথবা, ইচ্ছাকৃত ভাবে হাদীসের সুত্র (সনদ) বা মূল বাক্যের মধ্যে কমবেশি করেছে বলে প্রমানিত হয়েছে, তার বর্ণিত হাদিসকে বানোয়াট বা মাউযু হাদীস বলে। এরূপ ব্যক্তির বর্ণিত হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়।
গরীব হাদীসঃ যে সহীহ হাদীস কোন যুগে মাত্র একজন রাবী বর্ণনা করেছেন তাকে গরীব হাদীস বলা হয়।
* মারফু, মাওকুফ ও মাকতু হাদীস সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই প্রবন্ধটি পড়ুন- হাদীসের কয়েকটি পরিভাষা

Saturday, 26 December 2015

ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)পালন করা কেন বিদআত? : New Methodology in Islamic pattern

Rahat Zamman Rana
Title 57:::(((বিদআত →New Methodology in
Islamic pattern )))
Right Level :::ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)পালন
করা কেন
বিদআত? আমরা মীলাদ অনুষ্ঠানকে
বিদআত বলি।
যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন আপনারা বিদআত
বলেন? উত্তর হল, আল্লাহর কিতাব, রাসূল
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এর
সুন্নাত, সাহাবাদের আমল এবং
সম্মানিত
তিন যুগের কোন যুগে এর কোন অস্তিত্ব
ছিলনা। তাই আমরা এটাকে বিদআত
বলি।
কারণ যে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর
সন্তুষ্টি কমনা করা হবে, কুরআন বা
সুন্নায়
অবশ্যই তার পক্ষে একটি দলীল থাকতে
হবে। আর মীলাদ মাহফিলের পক্ষে
এরকম
কোন দলীল নেই বলেই এটি একটি
বিদআতী ইবাদত, যা হিজরী চতুর্থ
শতাব্দীর পর তৈরি করা হয়েছে।
মিশরের ফাতেমীয় শিয়া সম্প্রদায়ের
শাসকগণ এটাকে সর্বপ্রথম ইসলামের
নামে
মুসলমানদের মাঝে চালু করে।
বিখ্যাত আলেমে দ্বীন ইমাম আবু হাফস্
তাজুদ্দীন ফাকেহানী (রঃ) বলেন,
একদল
লোক আমাদের কাছে বার বার প্রশ্ন
করেছে যে, কিছু সংখ্যক মানুষ মীলাদ
নামে রবিউল আওয়াল মাসে যে
অনুষ্ঠান
করে থাকে, শরীয়তে কি তার কোন
ভিত্তি আছে? প্রশ্নকারীগণ সুস্পষ্ট
উত্তর
চেয়েছিল।
আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে উত্তর
দিলাম যে, আল্লাহর কিতাব ও
রাসূলের
সুন্নাতে এর পক্ষে কোন দলীল পাই নি
এবং যে সমস্ত আলেমগণ মুসলিম জাতির
জন্য দ্বীনের ব্যাপারে আদর্শ স্বরূপ,
তাদের কারও পক্ষ থেকে এধরণেরে
আমলের প্রমাণ পাওয়া যায় নি। অথচ
তারা ছিলেন পূর্ববতী যুগের
(সাহাবীদের) সুন্নাতের ধারক ও বাহক।
বরং এই মীলাদ নামের ইবাদতটি একটি
জঘণ্য বিদআত, যা দুর্বল ঈমানদার ও পেট
পূজারী লোকদের আবিষ্কার মাত্র।
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমীয়া
(রঃ)
বলেন, এমনি আরও বিদআতের উদাহরণপ
হল,
কিছু সংখ্যক মানুষ রাসূল (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্ম
দিবসকে
ঈদ হিসাবে গ্রহণ করত: এ উপলক্ষে
মীলাদ
মাহফিলের আয়োজন করে থাকে। অথচ
রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম) সঠিক জন্ম তারিখ সম্পর্কে
আলেমগণ যথেষ্ট মতবিরোধ করেছেন। এ
ধরণের অনুষ্ঠান পালনকারীদের দু’টি
অবস্থার একটি হতে পারে। হয়ত তারাজ
এব্যাপারে ঈসা (আঃ) এর জন্ম দিবস
পালনের ক্ষেত্রে নাসারাদের অনুসরণ
করে থাকে অথবা নবী (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি অতি
ভালবাসা ও সম্মান দেখানোর জন্য
করে
থাকে।
যাই হোক এ কাজটি সাহাবাদের কেউ
করেন নি। যদি কাজটি ভাল হত,
তাহলে
অবশ্যই তারা কাজটি করার দিকে
আমাদের চেয়ে অনেক অগ্রগামী
থাকতেন। তাঁরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে আমাদের
চেয়ে অনেক বেশী ভালবাসতেন এবং
সম্মান করতেন। তাঁরা ছিলেন ভাল
কাজে আমাদের চেয়ে অনেক বেশী
আগ্রহী। তবে তাদের ভালবাসা ও
সম্মান
ছিল তাঁর অনুসরণ, আনুগত্য, তাঁর আদেশের
বাস্তবায়ন এবং প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে
তাঁর সুন্নাতকে বাস্তবায়িত করার
ভিতরে। by আবদুল্লাহ শাহেদ আল
মাদানি, লিসান্স ইন। মদিনা
বিশ্ববিদ্যালয়।।।
Media Level :::ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্যের
সাথে সারাদেশে পালিত।
আমজনতা লেবেল::: আমরা Seasonal,occasi
onal মুসলিম,তাই দরগাহ ধরে আছি★
Myself Level :::((( Verse :Anfaal Ayah 25)))আর তোমরা এমন ফাসাদ থেকে
বেঁচে থাক যা বিশেষতঃ শুধু তাদের
উপর পতিত হবে না যারা তোমাদের
মধ্যে জালেম এবং জেনে রেখ যে,
আল্লাহর আযাব অত্যন্ত কঠোর।
And fear the Fitnah (affliction and trial) which
affects not in particular (only) those of you who do
wrong (but it may afflict all the good and the bad
people), and know that Allâh is Severe in
punishment.
Rahat Zamman Rana কিছু সহিহ সুন্নাহর শায়খদের অভিমত তুলে ধরা হবে ইংশাআল্লাহ :: Dr. Bilal Philips. :::Do not celebrate the birthday of the Prophet (pbuh). The truth is that his actual date of birth is unknown just as the date of birth of Prophet Jesus (pbuh) is unknown. Furthermore, its celebration is an innovation in Islamic worship as it was not instructed by the Prophet (pbuh) nor was it done by his companions. ::
Rahat Zamman Rana
Rahat Zamman Rana বিশিষ্ট বিদ্বান Arabic আরব শায়খের ফতোওয়া :: আল-হামদুলিল্লাহ প্রথমত : মীলাদুন্নবী বিদআত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অথবা তার কোন সাহাবি অথবা কোন তাবেঈ অথবা কোন ইমাম থেকে এর প্রচলন নেই, বরং এর প্রচলন শুরু করেছে আবিদী সম্প্রদায়, যেরূপ তারা অন্যান্য বিদআত ও গোমরাহী সৃষ্টি করেছে। দ্বিতীয়ত : ক্ষতিকর কোন উপাদান না থাকলে মিষ্টি খাওয়া ও কেনা বৈধ, যদি এতে নিষিদ্ধ কর্মের প্রতি উৎসাহ না থাকে অথবা নিষিদ্ধ কর্মের প্রচার ও স্থায়িত্বের কারণ না হয়। তবে আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, মীলাদুন্নবীর সময় মিষ্টি খরিদ করা মীলাদুন্নবী প্রচার করা এবং তার প্রতি এক ধরণের সমর্থন, বরং প্রকারান্তরে মীলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়। কারণ, মানুষের অভ্যাসে যা পরিণত হয় তাই ঈদ, যদি তাদের অভ্যাস হয় এ দিনে এ ধরণের খাদ্য ভক্ষণ করা, অথবা মীলাদুন্নবী উপলক্ষে মিষ্টি তৈরি করা, বছরের অন্যান্য দিন যেরূপ হয় না, তাহলে এ দিনে এ মিষ্টি বিকিকিনি করা, খাওয়া অথবা হাদিয়া দেয়া এক ধরণের মীলাদ মাহফিল উদযাপন করার শামিল, তাই এ দিনে এসব পরিহার করাই উত্তম। এ বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি : ভালবাসা দিবসের সাথে সম্পৃক্ত যাবতীয় বস্তু এবং ভালবাসা দিবস উদযাপনের নিদর্শন লাল রঙের মিষ্টি ক্রয় ও হৃদপিণ্ডের ছবি সম্বলিত জিনিস আদান- প্রদান, ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পর্কে ‘লাজনায়ে দায়েমার’ ফতোয়ার প্রতি : “কুরআন-হাদিসের স্পষ্ট দলিল ও উম্মতের ঐক্য মত যে, ইসলামের ঈদ দু’টি : ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর। এ ছাড়া অন্যান্য ঈদ বেদআত, হোক না তা কোন ব্যক্তির সাথে সম্পৃক্ত অথবা কোন দলের সাথে সম্পৃক্ত অথবা কোন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত অথবা অন্য কোন জিনিসের সাথে সম্পৃক্ত। কোন মুসলমানের পক্ষে এসব ঈদ পালন করা, সমর্থন করা, এতে আনন্দ প্রকাশ করা ও কোনভাবে এর সহযোগিতা প্রদান করা বৈধ নয়। কারণ এগুলো আল্লাহর সীমা রেখার লঙ্ঘন, আর যে আল্লাহর সীমালঙ্ঘন করল সে নিজের উপরই যুলম করল। অনুরূপ যে কোন জিনিসের মাধ্যমে এ ঈদ বা এ ধরণের অন্যান্য ঈদে সাহায্য করা হয় তাও হারাম, যেমন খাওয়া অথবা পান করা অথবা বিক্রি করা অথবা কেনা অথবা তৈরি করা অথবা হাদিয়া দেয়া অথবা প্রেরণ করা অথবা প্রচার করা ইত্যাদি। কারণ এসবের মধ্যে রয়েছে গুনা, অবাধ্যতা এবং আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণে সহযোগিতা প্রদান করা। আল্লাহ তা'আলা বলেন : সৎকর্ম ও তাকওয়ায় তোমরা পরস্পরের সহযোগিতা কর। মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ আযাব প্রদানে কঠোর”। সূরা মায়েদা : (২)” আল্লাহ ভাল জানেন। সমাপ্ত মুফতী : শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল- মুনাজ্জিদ অনুবাদক : সানাউল্লাহ নজির আহমদ সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া সূত্র : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ, সৌদিআরব.
একজন বয়স্ক মুরুব্বী
একজন বয়স্ক মুরুব্বী জাজাকাল্লাহ খাইরান,ভাই★ অনেক অনেক তথ্যসমৃদ্ধ সংগৃহীত উপকারী তথ্য।May Allah bless you.
Rahat Zamman Rana
Rahat Zamman Rana ওয়া আনতুম ফা জাযাকুমুল্লাহু খইরন। আল্লাহ আপনাকেও দুনিয়া ও আখিরাতেও মংগল করুন, আমীন।

Monday, 16 November 2015

ইজমা ও কিয়াস :-ইসলামী জ্ঞানের উৎস আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাএ কুরআন ও সুন্নাহ সেখানে ইহুদী খ্রীষ্টানরা সংযোগ করে ইজমা ও কিয়াস :


★★★★★★★★★★★★
*****************************
ইংরেজরা ভারত উপমহাদেশ দখল
করে,ইসলামের কবর দিয়ে, তাদের
মনগড়া বাতিল ধর্ম ইসলাম বলে
চালু করে,সকলে যেন পালন করে
তার ব্যবস্হা করে রেখে গেছে!!!
*******************************
*****************************
ইসলামী জ্ঞানের উৎস আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাএ কুরআন ও সুন্নাহ সেখানে ইহুদী খ্রীষ্টানরা সংযোগ
করে ইজমা ও কিয়াস।অথচ ইবলিশ শয়তান বিতারিত হয়েছে কিয়াস ক রে।আল্লাহর দেওয়া পরিপূর্ন ইসলামে ইজমা কিয়াস নাই।"যদি"থেকে ইজ মা,কিয়াসের উৎপত্তি,রাসুল(সঃ) বলে ছেন"যদি"ইবলীস শয়তানের কুমন্ত্রনা র দরজা খুলে দেয় আর ইবলিশ শয় তান বিধর্মীদের মনগড়া ধর্ম শোভনী য় করে দেখায়।
রাসুল (সঃ) ও সাহাবীগন একমাএ
কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরন করেছেন।
আল্লাহর পক্ষ থেকে দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্হা ইসলামকে পরিপূর্ন করেই রাসুলকে প্রেরন করেছেন ইসলামকে বিজয় করার জন্য বিধর্মীদের বানো য়াট মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্ম থেকে।
যদি,কিয়াস,ও ইজমাই ইসলামের কবর রচনা করে,বিধর্মীদের মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্মের বিজয় করে!!! কিয়াস ইজমা ফিকাহর মাযহাবের নামাজ,যাকাত,রোজা হজ্জ ও সকল আমল সহকারেই সে কাফির, তার স্হানই জাহান্নাম।
ক | ইসলামী জ্ঞানের উৎসের প্রচলিত তালিকায় যা মাদ্রাসায় শিখানো হয় এবং অনেক সাধারন মুসলমানও জানে ১| কুরআন ২| হাদীস ৩|ইজমা ও ৪| কিয়াস, এই ৪ টি থেকে কিয়ামত
অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান ও ইসলাম বুঝতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞান-গরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুশ শাশী,প্রকা শক আল-আকসা লাইব্রেরী ঢাকা।
প্রকাশকাল-০৯.১১.২০০৪ কওমী ও আ
লীয়া মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
খ | সনদসহ জাল হাদীস তৈরী করে,
কুরঅান সহীহ ও সুন্নাহর জ্ঞান থেকে
দূরে সরানোর জন্যে মুসলিম সমাজে
ছাড়িয়ে দেয়।
ইমাম বুখারী(রহঃ)প্রায় ছয় লক্ষ
হাদীস বাছাই করে মাএ ২৫০০ -২৭০০
হাদীস তাঁর মতে সহীহ পেয়েছিলেন,
এখান থেকে বুঝা যায় হাদীসের জ্ঞনে ভূল ঢুকানোর জন্যে ইহুদী খ্রীষ্টানরা কী ব্যাপক কাজ করেছে।ঐ হাদীসের অধিকাংশে বাদ দেয়া সম্ভব হলেও এখনও ঐ বনানো হাদীসের মাধ্যমে ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হচ্ছে।
কিছু ক্ষেএে শক্তিশালী সহীহ হাদী স থাকা সত্বেও দূর্বল হাদীসের ভূল
ব্যাখাকে দলিল ধরে ভূল তথ্য তৈরি
করেছে।এবং কুরআন ও শক্তিশালী সহীহ হাদীসের ঐ বিষয়ের সরল বক্ত ব্যকে আমলেই আনা হয়নি বা অভি নবভাবে ব্যাখ্যা করে তার সাথে মিলানো হয়েছে।
গ| ফিকাহ শাস্রে ভূল ঢুকানোর পর কুরআন-হাদীস থেকে সরাসরি ইসলাম জানার পরিবর্তে ফিকাহ শাস্ত্রে হতে ইসলাম জানতে মুসলিম দেরকে উৎসাহিত করার জন্য ইহুদী,
খ্রীষ্টনদের গোয়েন্দারা বিভিন্ন কথা বানিয়েছে এবং মাদ্রাসার সিলেবাসে
ঢুকিয়ে দিয়ে সেগুলোর ব্যাপক প্রচারে র ব্যবস্হা করেছে।যেমনঃ-
১|- - - - -কুরআন ও সুন্নাহ হইতে আইন-কানুন খুঁজে বের করে সমস্যা র সমাধান করা বহু সময় সাপেক্ষ ও
কষ্টসাধ্য।- - - -(বিভিন্ন বিষয়ে গভীর
জ্ঞান না থাকা অবস্হায়) কুরআন ও সুন্নাহ ব্যাখ্যা করে সৎপথের সন্ধান করতে চাইলে সৎপথ পাওয়ার চাইতে
পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাক বে।ফকীহগনের এ বিষয়ে পূর্ন ব্যৎপ ত্তি ছিল।তারা সকল বিষয় পূর্নাঙ্গভা বে বিবেচনা করে কুরআন ও সুন্নাহর
ভিত্তিতে ফিকাহ শাস্র সম্পাদন করে ছেন।এখন কুরঅান সুন্নাহর আইন বলতে ফিকাহ শাস্রকেই বুঝান হয়ে থাকে।
(আল-মুখ-তাসারুল কুদুরী আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্র ন।পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরা ফাত পাবলিকেশন্স,৩ য় সংস্করন
সেপ্টেম্বর ২০০৬ ইং পৃষ্ঠা-৬।কওমি এবং আলিয়া মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
২| হযরত ইমাম মালেক (রঃ)নিজ ভাগ্নে আবু বকর ও ইসমাইল (রঃ)
কে বলেন-আমি দেখছি যে,হদীস চচ্চার প্রতি তোমাদের আগ্রহ অধিক। তবে যদি কল্যান চাও তবে তোমরা হাদীসের রেওয়ায়েত কম কর এবং ইলমে ফিকাহ বেশি অর্জন কর।
(আল-মুখতাসারুন কুদুরী, আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন,জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১১,আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
৩| এমনি (ইসলামের প্রসারের) যুগস ন্ধিক্ষনে তাবেয়ী যুগের শেষ দিকে সত্যের পুজারী আলেম সমপ্রদায়ের জামায়াত কুরআন ও সুন্নাহকে সাম নে রেখে তাদের মূলনীতি অনুসরন করে এমন আইনশাস্র প্রনয়ন করলে ন যা সর্বযুগে,সর্বদেশ,সকল অবস্হা য় ও সকল সমস্যার সমাধানে সক্ষম ।এটাই আজ দুনিয়ার বুকে ফিকাহ ইসলামী নামে সুপতিষ্ঠিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী আরা ফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইংসালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরাফাত পাবলিকেশন্স ৩য়
নংস্করন,সেপ্টম্বর ২০০৬ ইংপৃষ্ঠা ৫। আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
৪| মাযহাবের ইমামগন কুরআন ও সুন্নাহের কোন স্হানের কিরুপ ব্যাখ্যা করে কি মাসয়ালা বা কি আইন রচ না করেছেন তা সম্যকরুপে অবগত না হয়ে আমাদের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ হতে মাসয়ালা বের করা বা ব্যাখ্যা করা আদৌ বৈধ হবে না।অত এব ফিকাহ শাস্রের পূর্ন জ্ঞানার্জনের পর কুরআন ও সুন্নাহ অনুশীলন করা উচিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী মাদ্রাসার ৯ ম ও ১০ম শ্রেনীর পাঠ্য,সপ্তম প্রকাশ,পৃষ্ঠা-৯)
ফিকাহ শাস্র অনেক ব্যাপক।তাই ফিকাহের সকল বই পড়ে শেষ করা প্রায় অসম্ভব।এ তথৎটি সত্য বলে মেনে নেয়ার কারনে,কুরআন ও হাদী স নিয়ে স্বাধীনভাবে গবেষনা করার সাহস কেউ পায়না বা খুব কম ব্যক্তি ই পায়।
কুরআন আল্লাহ সহজ করে দিয়েছে ন গবেষনা করে বুঝা,মানা ও অনুসর ন করা ও আল্লাহর ইবাদত করে মুস লিম হওয়ার জন্যে।
ভূল তথ্যগুলোর সংস্কারের পথ
গোয়েন্দারা যেভাবে বন্ধ করেছেঃ-
প্রথমে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ-তথ্যটি তৈরী করা হয়ে ছে।তারপর মাদ্রাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে এবং অন্যভাবে কথাটির ব্যা পক প্রচার এবংগ্রহনযোগ্যতা পাওয়া র ব্যবস্হা করা হয়েছে।
১| পূর্বে ইজমা হয়ে আছে তাই এ বিষয়ে আর গবেষনা করা যাবে না-কুরআন ও সুন্নাহর সম্পূর্ন বিরদ্ধে এ কথাটি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়ে ছে।তথ্যটির মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে,ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে পূর্বের মনীষীগনের সামষ্টিক সিদ্ধান্ত ফিকা হ শাস্ত্রের মধ্যে লিপিবদ্ধ অাছে।তাই এখন গবেষনা করে ঐ সিদ্ধান্তের কোনরুপ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাবে না।
২| মাদ্রাসার পাঠ্য বইয়ে এমন তথ্য লিখে রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে
ছাএরা জানতে পারে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ।যেমনঃ-
ক| ইসলামী বিধানের মূল বুনিয়াদ হল ৪ টি। কুরাআন,সুন্নাহ,ইজমা, কি য়াস।কিয়ামত অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান এ ৪ টি থেকে বের করতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞানগরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুকাশাশী প্রকাশ ক, আল-আকসা লাইব্রেরী,ঢাকা।
প্রকাশ কাল ০৯-১১-২০০৪,আলিয়া ও
কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
খ| ১ ম ও ২ য় যুগের (হিজরী ৭ম শতাব্দির মাঝামাঝি সময়) মুজতা হিদগন এমন একটি পূর্নাঙ্গ ফিকাহ শাস্র দান করিয়া গিয়াছেন যাহাতে মানব জীবনের প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ।
ওদের গভীর ষড়যন্ত্রের পূর্নাঙ্গ তুলে ধরতে গেলে মহামূল্যবান সময়
নষ্ঠ হবে এক কথায় বলতে গেলে কুর অান ও সুন্নাহর জীবন ব্যবস্হা সম্পূ র্ন পরিবর্ন করে ওদের ধর্ম রেখে গেছে।এখন এই বাতিল ধর্ম থেকে বাচতে হলে সকল দলের,সকল মানু ষের কুরঅান গবেষনা করে একে অপরেরর নিকট তাবলীগ করতে হবে,শিরক বেদাতি সকল বইগুলি মসজিদ, মাদ্রাসা ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাড়াতে হবে,একমাএ কুরআন ও সহীহ হাদীস গ্রন্হগুলি রেখে।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"যে ব্যক্তি ইস লামকে পূর্নজীবিত করার উদ্দেশ্যে বিদ্যা শিক্ষা করে এবং শিক্ষাকালীন
অবস্হায় মুত্যুবরন করে জান্নাত তা হার এবং নবীদের মধ্যে কেবলমাএ একটি দরজার পার্থক্য থাকিবে।"
(সহীহ বুখারী)
মানুষের আমলে জান্নাতে যাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নাই,আমলে জাহান্না
মে যাওয়ার নিশ্চয়তা আছে! জাহান্না ম থেকে বাচার জন্য কিয়াস ইজমার
ফিকাহর আমল ত্যাগ করি আল্লাহর
দেওয়া দৈনন্দীন জীবন ব্যবস্হা পূর্ন জীবিত করার চেষ্টা সাধনা গবেষনা করে আল্লাহর স্হায়ী বসবাসের নেয়া
মতপূর্ন জান্নাতের আশা করি,পীর বুজুর্গদের ধোকা থেকে নিজেদেরকে হেফাজত করি।
হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে দিয়ে
তোমার দ্বীন ইসলামকে পূর্নজীবিত
কর,আমাদেরকে ঈমানদার মুসলিম করে মুত্যু দিও।
(আমীন)

Monday, 9 November 2015

ইজমা ও কিয়াস

ইজমা ও কিয়াস নিয়ে আমাদের সমাজে ব্যপক ভুল ধারণা বিদ্যমান। আমরা জানিই না ইজমা কি আর কিয়াস কি!
মানুষ ইজমা কিয়াস সম্পর্কে মারাত্মক ভুল জ্ঞান রাখার কারণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় ধর্মের মধ্যে ইজমা কিয়াসের নাম দিয়ে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে বিদাতি খুবই অল্প জ্ঞানী সুফিবাদী আলেম নাম ধারী লোকেরা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের কাছে নতুন নতুন বিষয় উপস্থাপন করে বলেন এটা ইজমা হয়ে গিয়েছে ওটা কিয়াস হয়ে গিয়েছে।
আর সাধারণ মানুষও না বুঝেই সেগুলো গ্রহণ করেছে এবং সহিহ বিষয় উপস্থাপন হলে উনারা সেটা
মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ইজমা কিয়াসের যুক্তি দাড় করান অথচ তিনি জানেনই না ইজমা কি বা কিয়াস কি!
‘আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করলাম। আমার নেয়ামতকে তোমাদের উপর পূর্ণতা দিলাম আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’ (মায়েদা, ৫ : ৩)
যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর (নিসা, আয়াত ৫৯);
সে লোক ইমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে [রাসুল স] ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে (নিসা, আয়াত ৬৫)
আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রাসুলের (ইমরান, আয়াত ৩২, ১৩২; নিসা, আয়াত ৫৯; আনফাল, আয়াত ১, ২০, ৪৬; নুর, আয়াত ৫৪, ৫৬; মুহাম্মদ, আয়াত ৩৩; মুজাদালাহ, আয়াত ১৩; আততাগাবুন, আয়াত ১২);
তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তোমরা তাঁর অনুসরণ করো এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অলী আওলীয়াদের অনুসরণ করো না । তোমরা অল্প সংখ্যক লোকই তা স্মরণ রাখো (আ’রাফ, আয়াত ৩)
অনেকেই বলে থাকেন কুরআন হাদিসে সমাধান না পাওয়া গেলে কি করব? অথচ স্বয়ং আল্লাহ বলছেন মতানৈক্য হলে রাসুল (সাঃ) ও কুরানের দিকে ফিরে আসতে! অর্থাত কুরআন ও হাদিসের মধ্যেই সমাধান অবশ্যই আছে। তারপরেও যদি বলেন কুরানে ও হাদিসে তো নাই! তাহলে তো আরো সহজ যা কুরআন ও হাদিসে নাই তা ইসলামেও নাই!
‘‘নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদ‘আত এবং প্রত্যেক বিদ‘আত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।’
সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৫৩৫ ও সুনান আন-নাসায়ী, হাদীস নং ১৫৬০, হাদীসের শব্দ চয়ন নাসায়ী থেকে।
দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ। এখন ইজমা কিয়াসের নামে দ্বীন ইসলামে নতুন নতুন সংযোজন কি আদৌ সম্ভব?
ইসলামী শরীয়তের (আইনের) তৃতীয় উৎস হলো ইজমাঃ
——————————————————
ইজমা হলো এ উম্মতের দীনি জ্ঞানসম্পন্ন মুজতাহিদদের ঐকমত্য পোষণ।
আর এর ভিত্তি হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিহ হাদিস-
‘‘আমার উম্মত কখনও ভ্রষ্ট পথে একমত হবে না’’ ।
মুস্তাদরাকে হাকিম (১/২০০-২০১) হাদীস নং- ৩৯৪, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৯, ৪০০। আরো দেখুন: আবুদাউদ (৪/৯৮) হাদীস নং- ৪২৫৩; তিরমিজি (৪/৪৬৬) হাদীস নং- ২১৬৭; ইবনে মাজা (২/১৩০৩) হাদীস নং- ৩৯৫০।
সুতরাং উম্মতের সবাই যদি কোনো ব্যাপারে একমত হয়, তাহলে তাও আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুমতিক্রমেই হবে। আর তা হবে গ্রহণযোগ্য। পূর্ববর্তী কোনো দ্বীনের ক্ষেত্রে তাদের নবীর মুখ থেকে এরকম কোনো অভয়বাণী শোনানো হয় নি। ফলে তাদের সবাই একমত হলেই সে মতটি সঠিক হওয়ার গ্যারান্টি নেই।
অথচ অল্প জ্ঞানী লোকজন ইজমার বয়ান করে চলেছেন সমাজে!
আজকে সমাজের দিকে লক্ষ্য করলে সহজে বুঝা যায় যে আহলে সুন্নাত জামায়াতের স্কলারগণ অন্যান্য প্রচলিত বিভিন্ন ফেরকার নিজস্ব মতামত গ্রহণ করছেন না। তারা কুরআন ও সহিহ হাদিসের বাইরে কোনো মতামত গ্রহণ করেন না। ব্যক্তিগত কোনো মতামত তারা গ্রহণ করেন না।
অতএব ইজমা ইজমা করে যারা নতুন বিষয় দ্বীনে প্রবেশ করাচ্ছেন তারা মূলত ইজমা নিয়ে মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন।
আজকে সমাজে কিছু সংখ্যক আলেম ইজমা ইজমা করছেন অথচ সালাফি স্কলারগণ রীতিমত তাদের বিরোধিতা করছেন! তাহলে ইজমা হলো কিভাবে?
“যে আমাদের এ ধর্মে এমন কোন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করবে যা ধর্মে অন্তর্ভুক্ত ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত হবে”। (বুখারী ও মুসলিম)
অনেক স্কলারদের মতে চার খলিফার পরে উম্মতের মধ্যে ইজমা হওয়ার আর কোনো সুযোগ নাই!
ইজমার উদাহরণ হচ্ছে যেমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পাচ ওয়াক্ত ১৭ রাকাত সালাত ফরজ। এই ফরজ কম করা যাবে না বা বেশিও করা যাবে না। এটাই হচ্ছে ইজমা। কেউ যদি বলে ১৭ রাকাত না ১৮ রাকাত বা ১৯ রাকাত তবে তা গ্রহণ যোগ্য হবে না!
এটাই ইজমা যে ১৭ রাকাত ফরজ সালাত। এটা ১৪৫০বোচোর আগে থেকেই প্রকাশিত একটা বিষয়। নতুন বিষয় নয়।
কেউ যদি বলে বিতর সালাত ফরজ এটা ইজমা তাহলে এটা ভুল! ফরজ তো অবশ্যই নয়। বিতর সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা অর্থাত খুব গুরুত্ত পূর্ণ ঠিক যেমন ফজরের সুন্নত সালাত খুব গুরুত্ব পূর্ণ, যদিও কেউ কেউ ওয়াজিব বলেছেন! তবে অধিকাংশ স্কলারদের মতে এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ।
লক্ষনীয় বিষয় কেউ যদি বলে বিতর ফরজ বা ওয়াজিব এটা ইজমা তাহলে ভুল! উপরের হাদিস লক্ষ্য করেন ”একমত হবে না” অর্থাত অধিকাংশ স্কলার সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ বলেছেন যদিও কেউ কেউ ওয়াজিব বলেছেন।
কিন্তু সবাই একমত দৈনিক পাচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ। চার ওয়াক্ত নয় আবার ছয় ওয়াক্তও নয়। এটাই ইজমা।
যাকাত ফরজ এটা ইজমা।
সিয়াম ফরজ এটা ইজমা।
=============================
ইসলামী শরীয়তের (আইনের) চতুর্থ উৎস হলো কিয়াস:
—————————————————-
যা নির্ভর করে পূর্ববর্তী তিনটি উৎসের উপর। সুতরাং এটাও মনগড়া কিছু নয়।
কিয়াস হচ্ছে কুরআন ও হাদিসকে কেয়ামত পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করা। এটা নতুন কোনো বানানো বিষয় নয়।
এর ছোট্ট একটা উদাহরণ হলো এই কাগজে কুরআন লেখা কি নিষেধ? এখানে কিয়াস হচ্ছে অবশ্যই না। কারণ তত্কালীন সময়ে চামড়ায় গাছের পাতায় বাকলে লেখা হত , যদি কাগজ থাকত তবে কাগজেও লেখা হত।
এই যে ১৪৫০ বছর আগে নাজিল হওয়া কুরআনের বিধান বর্তমান সময়ে সমন্বয় করা এটাই কিয়াস।
বিল্লাল (রাঃ) কে উচ্চ স্বরে আজান দিতে বলা হত যাতে বেশি দূর পর্যন্ত লোকে আজান শুনতে পায়!। এবং এক অন্ধ লোককে আজান শুনতে পেলে মসজিদে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল । আজান যত বেশি দূর পর্যন্ত পৌছবে তত সয়াব অর্জনের কথা হাদিসে এসেছে। ইসলাম জীবনের প্রয়োজনে নতুন টেকনোলজি ব্যবহার নিষেধ করে না। অতএব বুঝা যাচ্ছে যদি তখন মাইক থাকত তাহলে মাইক ব্যবহার করা হত। মাইক ব্যবহার দ্বীন ইসলামের বিধান পরিবর্তন করে না।
“যে ইসলামে কোন ভাল পদ্ধতি প্রচলন করল সে উহার সওয়াব পাবে এবং সেই পদ্ধতি অনুযায়ী যারা কাজ করবে তাদের সওয়াবও সে পাবে, তাতে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন খারাপ পদ্ধতি প্রবর্তন করবে সে উহার পাপ বহন করবে, এবং যারা সেই পদ্ধতি অনুসরণ করবে তাদের পাপও সে বহন করবে, তাতে তাদের পাপের কোন কমতি হবে না”। (মুসলিম)
এই যে সংযোজন অর্থাত কানেক্টিভিটি ১৪৫০ বছর আগের কুরআন ও হাদিসের বাণীর সাথে এটাই হচ্ছে কিয়াস।
অথচ সমাজে দ্বীনের নাম নতুন বিষয় সংযোজন করে বলা হচ্ছে এটা কিয়াস! অথচ দ্বীনের মধ্যে প্রত্যেক নতুন সংযোজন বিদাত যা গোমরাহী যার পরিনাম জাহান্নাম।
টেলিভিশন স্ক্রিনে ইসলামিক লেকচার শুনা জায়েজ কিনা?
রাসুল (সাঃ) কে দেয়ালে দৃশ্য পটে জান্নাত ও জাহান্নাম দেখিয়েছেন আল্লাহ! আবার আল্লাহ বায়তুল মুকাদ্দাস রাসুল (সাঃ) কে চোখের সামনে তুলে ধরেছেন স্ক্রিনের মত করে !
এখন কিয়াস হচ্ছে কানেক্টিভিটি। এর প্রেক্ষিতে স্ক্রিনে ইসলামিক প্রোগ্রাম জায়েজ। সংবাদ পরিবেশন জায়েজ। এটাই কিয়াস। একইভাবে স্ক্রিন নাজায়েজ কাজে ব্যবহার নিষেধ যেমন নাটক, নাচ, গান !
ওপেন হার্ট সার্জারীর জন্য ঝুকি নেয়া কি জায়েজ? কুরআন সুন্নায় এর উদাহরণ আছে কিনা? রাসুল (সাঃ) কে প্রায় তিনবার বুক চিরে হার্ট পরিস্কার করা হয়েছে।
এখন কিয়াস হচ্ছে কানেক্টিভিটি। ১৪৫০ বছর আগের কুরআন ও সুন্নাহ অনুসারে বর্তমান সময়ের সমস্যার সমন্বয় ভিত্তিক সমাধান। কিয়াস হচ্ছে ওপেন হার্ট সার্জারী করা যাবে! রাসুল (সাঃ) এর জীবনে আমাদের জন্য রয়েছে আদর্শ।
এটাই হচ্ছে কিয়াস।
অর্থাত কুরআন ও হাদিসের বাইরে নয়।
অতএব কিয়াসের নামে কুরআন ও সুন্নাহের বিপরীত কোনো বিষয় গ্রহণ করা কিভাবে সমীচীন হবে?
“যে আমাদের এ ধর্মে এমন কোন নতুন বিষয় উদ্ভাবন করবে যা ধর্মে অন্তর্ভুক্ত ছিল না তা প্রত্যাখ্যাত হবে”। (বুখারী ও মুসলিম)
একই ভাবে বাসে চড়া বিমানে চড়া, মেশিনে কাপড় সেলাই জায়েজ কিনা , মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা জায়েজ কিনা এগুলো সম্পর্কে মাসাআলা কিয়াসের ভিত্তিতে হয়।
কিন্তু দ্বীন ইসলামের কোনো বিষয়ই হের ফের করার সুযোগ নেই।
অতএব আমরা বুঝতে পারছি যে, ইসলাম এমন একটি দ্বীনের নাম, যা সম্পূর্ণভাবে অবিকৃত রয়েছে। আর তার বিধানসমূহে বাইরের কোনো প্রভাব সেখানে পড়ে নি। যেহেতু আল্লাহ তা‘আলাই এ বিধান দিয়েছেন, আর জ্ঞান-বিজ্ঞানও তাঁর পক্ষ থেকেই দেয়া নেয়ামত বিশেষ, সেহেতু এ দু’টি কখনও পরস্পর বিরোধী হতে পারে না। বাস্তবেও তা ঘটে নি।
আল্লাহর কুরআনের কোনো আয়াত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোনো সহিহ হাদিস বিজ্ঞানে-পরীক্ষিত কোনো ধ্রুবসত্যের বিরোধী হয়েছে— এমন কোনো প্রমাণ আজও কেউ দিতে পারে নি। যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের কোনো কোনো থিওরি প্রাথমিকভাবে আল-কুরআন ও সহিহ হাদিসের সাথে বিরোধী হয়েছে এমন মনে হয়ে থাকে, তথাপি সেখানে আল্লাহর কুরআন ও সহিহ হাদিসই মূলত গ্রহণযোগ্য হবে, কারণ এ সমস্ত প্রাথমিক থিওরি (যা পরীক্ষিত সত্য বলে প্রমাণিত হয় নি তা) পরিবর্তনশীল। আল্লাহর কুরআনের কোনো আয়াত, আর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সহিহ হাদিস পরিবর্তনশীল নয়। হাঁ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করে অনেকেই সঠিক অর্থ ও ব্যাখ্যা অনুধাবন করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে দরকার প্রকৃত জ্ঞানীর কাছে ফিরে যাওয়া।
আর ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞানকে উৎসাহিত করেছে, জ্ঞান অর্জনকে ফরয করেছে। অন্যান্য ধর্মের মত নিরুৎসাহিত করে নি। ইসলামে বিজ্ঞানীদের যে কদর আছে, অন্যান্য ধর্মের সাথে এর কোনো তুলনাই চলতে পারে না। সুতরাং দীন (ইসলাম) এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান পরস্পর বিরোধী বলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আর তাই ইসলামী বিধান বাস্তবায়নে এ সন্দেহের অবতারণা করা বাতুলতা মাত্র।
রাসুল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন কুরআন ও সুন্নাহ কে আকড়ে ধরতে। ইজমা ও কিয়াস কুরআন ও সুন্নাহেরই অংশ। বাইরের কিছু নয়। দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ। নতুন সংযোজন বা বিয়োজনের কোনো সুযোগ নাই। তাহলে কিভাবে ইজমার নামে কিয়াসের নামে নতুন বিষয় ইসলামে প্রবেশ করানো সম্ভব?
উল্লেখ্য যে ইজমা কিয়াস নিয়ে যে একটি হাদিস প্রচলিত সেটা জাল!
আশা করি দ্বীনি ভাইদের এই আর্টিক্যালটি উপকারে লাগবে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কেউ যেন ইজমা কিয়াসের নাম করে আমাদের ধোকা দিতে না পারে।
আল্লাহ জাজাকাল্লাহ খায়ের দান করুনঃ
১. ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২. ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩. Islam House . com
৪. শায়খ মতিউর রহমান মাদানী
৫. শায়খ মুফতী কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহী
sourse-sgissgissgis

Saturday, 11 July 2015

url of 5pillers on quran sahih hadith-bn

/ইমান(তাওহীদ)



/সালাত (নামাজ)


/যাকাত
/সাওম (রোযা)
/হজ্জ



++++++++++++++++++++++

Thursday, 14 May 2015

“Tasawwuf” and “Sufism” is not automatically approved of in sharee’ah


47431: He is asking about Sufism and the Jamaa’at al-Tableegh


Is the “Da’wah and Tableegh” group one of the misguided groups? And what about Sufism?.
Praise be to Allaah.  
It is important for us to understand, firstly, that the words “Tasawwuf” and “Sufism” are modern terms which refer to something that is not automatically approved of in sharee’ah as the words eemaan (faith), Islam and ihsaan are. Neither is it automatically condemned like the words kufr, fusooq (immorality) and ‘asyaan (disobedience, sin).  
In such cases, we need to find out more about what is meant by such words before we can pass comment. Shaykh al-Islam Ibn Taymiyah (may Allaah have mercy on him) said: “The words al-faqr and al-tasawwuf (i.e., Sufism) may include some things that are loved by Allaah and His Messenger, and these are things that are enjoined even if they are called faqr or tasawwuf, because the Qur’aan and Sunnah indicate that they are mustahabb and that is not altered if they called by other names. That also includes actions of the heart such as repentance and patience. And it may include things that are hated by Allaah and His Messenger, such as some kinds of belief in incarnation and pantheism, or monasticism that has been innovated in Islam, or things that go against sharee’ah and have been innovated, and so on. These things are forbidden no matter what names they are given… And it may include limiting oneself to a certain style of clothing or certain customs, ways of speaking and behaving, in such a way that anyone who goes beyond it is regarded as an outsider, although this is not something that has been stipulated in the Qur’aan or Sunnah; rather it may be something that is permissible or it may be something that is makrooh, and this is a bid’ah that is forbidden. This is not the way of the friends of Allaah (awliya’ Allaah); such things are innovations and misguidance that exists among those who claim to follow the Sufi path. Similarly, among those who claim to be servants of knowledge there are innovations that involve beliefs and words that go against the Qur’aan and Sunnah, using phrases and terminology that have no basis in sharee’ah. Many such things happen among those people. 
The wise believer agrees with all people in that in which they are in accordance with the Qur’aan and Sunnah and obey Allaah and His Messenger, but he does not agree with that in which they go against the Qur’aan and Sunnah and disobey Allaah and His Messenger. He accepts from every group that which was taught by the Messenger… when a person seeks the truth and justice, based on knowledge, he is one of the successful friends of Allaah and His victorious party… 
Al-Fataawa, 11/280-290. 
But what Shaykh al-Islam said about the view of Sufis depending on their situation is almost too theoretical for our times, when the objectionable matters that he referred to have become part of the path of those who call themselves Sufis nowadays, in addition to the different occasions they celebrate such as the Mawlid, and their exaggeration about their living shaykhs, and their attachment to shrines and graves, where they pray and circumambulate the graves and make vows to them, and other well-known practices of theirs. Because of these matters, the correct approach now is to warn against them with no reservations. This is what was agreed upon by the Standing Committee in their answer to a question about the ruling on the Sufi tareeqahs that exist nowadays. They said: 
Usually those that are called Sufis nowadays follow bid’ahs (innovations) that constitute shirk, as well as other kinds of bid’ah, such as when some of them say “Madad ya sayyid (Help, O Master)”, and call upon the qutubs (“holy men”), and recite dhikr in unison using names by Allaah has not called Himself, like saying “Huw, Huw (He, He)” and “Ah, Ah (a contraction of the word ‘Allaah’)”. Whoever reads their books will be aware of many of their innovations that constitute shirk, and other evils. 
With regard to the Jamaa’at al-Tableegh, this is one of the groups that is active in the field of da’wah, calling people to Allaah. They do a great deal of good and make commendable efforts. How many sinners have repented at their hands, and how many have now become devoted to worship of Allaah. But this group is not free of some innovations in knowledge and action, to which the scholars have drawn attention. But whatever the case they cannot be described as being one of the misguided groups. We have quoted above the words of Shaykh al-Islam Ibn Taymiyah:  The wise believer agrees with all people in that in which they are in accordance with the Qur’aan and Sunnah and obey Allaah and His Messenger, but he does not agree with that in which they go against the Qur’aan and Sunnah. For more information on this group, see the answer to questions no. 8674 and 39349.
Islam Q&A
[courtesy-http://islamqa.info/en/47431]