★★★★★★★★★★★★
*****************************
ইংরেজরা ভারত উপমহাদেশ দখল
করে,ইসলামের কবর দিয়ে, তাদের
মনগড়া বাতিল ধর্ম ইসলাম বলে
চালু করে,সকলে যেন পালন করে
তার ব্যবস্হা করে রেখে গেছে!!!
*******************************
*****************************
ইসলামী জ্ঞানের উৎস আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাএ কুরআন ও সুন্নাহ সেখানে ইহুদী খ্রীষ্টানরা সংযোগ
করে ইজমা ও কিয়াস।অথচ ইবলিশ শয়তান বিতারিত হয়েছে কিয়াস ক রে।আল্লাহর দেওয়া পরিপূর্ন ইসলামে ইজমা কিয়াস নাই।"যদি"থেকে ইজ মা,কিয়াসের উৎপত্তি,রাসুল(সঃ) বলে ছেন"যদি"ইবলীস শয়তানের কুমন্ত্রনা র দরজা খুলে দেয় আর ইবলিশ শয় তান বিধর্মীদের মনগড়া ধর্ম শোভনী য় করে দেখায়।
রাসুল (সঃ) ও সাহাবীগন একমাএ
কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরন করেছেন।
আল্লাহর পক্ষ থেকে দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্হা ইসলামকে পরিপূর্ন করেই রাসুলকে প্রেরন করেছেন ইসলামকে বিজয় করার জন্য বিধর্মীদের বানো য়াট মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্ম থেকে।
যদি,কিয়াস,ও ইজমাই ইসলামের কবর রচনা করে,বিধর্মীদের মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্মের বিজয় করে!!! কিয়াস ইজমা ফিকাহর মাযহাবের নামাজ,যাকাত,রোজা হজ্জ ও সকল আমল সহকারেই সে কাফির, তার স্হানই জাহান্নাম।
ক | ইসলামী জ্ঞানের উৎসের প্রচলিত তালিকায় যা মাদ্রাসায় শিখানো হয় এবং অনেক সাধারন মুসলমানও জানে ১| কুরআন ২| হাদীস ৩|ইজমা ও ৪| কিয়াস, এই ৪ টি থেকে কিয়ামত
অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান ও ইসলাম বুঝতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞান-গরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুশ শাশী,প্রকা শক আল-আকসা লাইব্রেরী ঢাকা।
প্রকাশকাল-০৯.১১.২০০৪ কওমী ও আ
লীয়া মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
খ | সনদসহ জাল হাদীস তৈরী করে,
কুরঅান সহীহ ও সুন্নাহর জ্ঞান থেকে
দূরে সরানোর জন্যে মুসলিম সমাজে
ছাড়িয়ে দেয়।
ইমাম বুখারী(রহঃ)প্রায় ছয় লক্ষ
হাদীস বাছাই করে মাএ ২৫০০ -২৭০০
হাদীস তাঁর মতে সহীহ পেয়েছিলেন,
এখান থেকে বুঝা যায় হাদীসের জ্ঞনে ভূল ঢুকানোর জন্যে ইহুদী খ্রীষ্টানরা কী ব্যাপক কাজ করেছে।ঐ হাদীসের অধিকাংশে বাদ দেয়া সম্ভব হলেও এখনও ঐ বনানো হাদীসের মাধ্যমে ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হচ্ছে।
কিছু ক্ষেএে শক্তিশালী সহীহ হাদী স থাকা সত্বেও দূর্বল হাদীসের ভূল
ব্যাখাকে দলিল ধরে ভূল তথ্য তৈরি
করেছে।এবং কুরআন ও শক্তিশালী সহীহ হাদীসের ঐ বিষয়ের সরল বক্ত ব্যকে আমলেই আনা হয়নি বা অভি নবভাবে ব্যাখ্যা করে তার সাথে মিলানো হয়েছে।
গ| ফিকাহ শাস্রে ভূল ঢুকানোর পর কুরআন-হাদীস থেকে সরাসরি ইসলাম জানার পরিবর্তে ফিকাহ শাস্ত্রে হতে ইসলাম জানতে মুসলিম দেরকে উৎসাহিত করার জন্য ইহুদী,
খ্রীষ্টনদের গোয়েন্দারা বিভিন্ন কথা বানিয়েছে এবং মাদ্রাসার সিলেবাসে
ঢুকিয়ে দিয়ে সেগুলোর ব্যাপক প্রচারে র ব্যবস্হা করেছে।যেমনঃ-
১|- - - - -কুরআন ও সুন্নাহ হইতে আইন-কানুন খুঁজে বের করে সমস্যা র সমাধান করা বহু সময় সাপেক্ষ ও
কষ্টসাধ্য।- - - -(বিভিন্ন বিষয়ে গভীর
জ্ঞান না থাকা অবস্হায়) কুরআন ও সুন্নাহ ব্যাখ্যা করে সৎপথের সন্ধান করতে চাইলে সৎপথ পাওয়ার চাইতে
পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাক বে।ফকীহগনের এ বিষয়ে পূর্ন ব্যৎপ ত্তি ছিল।তারা সকল বিষয় পূর্নাঙ্গভা বে বিবেচনা করে কুরআন ও সুন্নাহর
ভিত্তিতে ফিকাহ শাস্র সম্পাদন করে ছেন।এখন কুরঅান সুন্নাহর আইন বলতে ফিকাহ শাস্রকেই বুঝান হয়ে থাকে।
(আল-মুখ-তাসারুল কুদুরী আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্র ন।পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরা ফাত পাবলিকেশন্স,৩ য় সংস্করন
সেপ্টেম্বর ২০০৬ ইং পৃষ্ঠা-৬।কওমি এবং আলিয়া মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
২| হযরত ইমাম মালেক (রঃ)নিজ ভাগ্নে আবু বকর ও ইসমাইল (রঃ)
কে বলেন-আমি দেখছি যে,হদীস চচ্চার প্রতি তোমাদের আগ্রহ অধিক। তবে যদি কল্যান চাও তবে তোমরা হাদীসের রেওয়ায়েত কম কর এবং ইলমে ফিকাহ বেশি অর্জন কর।
(আল-মুখতাসারুন কুদুরী, আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন,জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১১,আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
৩| এমনি (ইসলামের প্রসারের) যুগস ন্ধিক্ষনে তাবেয়ী যুগের শেষ দিকে সত্যের পুজারী আলেম সমপ্রদায়ের জামায়াত কুরআন ও সুন্নাহকে সাম নে রেখে তাদের মূলনীতি অনুসরন করে এমন আইনশাস্র প্রনয়ন করলে ন যা সর্বযুগে,সর্বদেশ,সকল অবস্হা য় ও সকল সমস্যার সমাধানে সক্ষম ।এটাই আজ দুনিয়ার বুকে ফিকাহ ইসলামী নামে সুপতিষ্ঠিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী আরা ফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইংসালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরাফাত পাবলিকেশন্স ৩য়
নংস্করন,সেপ্টম্বর ২০০৬ ইংপৃষ্ঠা ৫। আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
৪| মাযহাবের ইমামগন কুরআন ও সুন্নাহের কোন স্হানের কিরুপ ব্যাখ্যা করে কি মাসয়ালা বা কি আইন রচ না করেছেন তা সম্যকরুপে অবগত না হয়ে আমাদের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ হতে মাসয়ালা বের করা বা ব্যাখ্যা করা আদৌ বৈধ হবে না।অত এব ফিকাহ শাস্রের পূর্ন জ্ঞানার্জনের পর কুরআন ও সুন্নাহ অনুশীলন করা উচিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী মাদ্রাসার ৯ ম ও ১০ম শ্রেনীর পাঠ্য,সপ্তম প্রকাশ,পৃষ্ঠা-৯)
*****************************
ইংরেজরা ভারত উপমহাদেশ দখল
করে,ইসলামের কবর দিয়ে, তাদের
মনগড়া বাতিল ধর্ম ইসলাম বলে
চালু করে,সকলে যেন পালন করে
তার ব্যবস্হা করে রেখে গেছে!!!
*******************************
*****************************
ইসলামী জ্ঞানের উৎস আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাএ কুরআন ও সুন্নাহ সেখানে ইহুদী খ্রীষ্টানরা সংযোগ
করে ইজমা ও কিয়াস।অথচ ইবলিশ শয়তান বিতারিত হয়েছে কিয়াস ক রে।আল্লাহর দেওয়া পরিপূর্ন ইসলামে ইজমা কিয়াস নাই।"যদি"থেকে ইজ মা,কিয়াসের উৎপত্তি,রাসুল(সঃ) বলে ছেন"যদি"ইবলীস শয়তানের কুমন্ত্রনা র দরজা খুলে দেয় আর ইবলিশ শয় তান বিধর্মীদের মনগড়া ধর্ম শোভনী য় করে দেখায়।
রাসুল (সঃ) ও সাহাবীগন একমাএ
কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরন করেছেন।
আল্লাহর পক্ষ থেকে দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্হা ইসলামকে পরিপূর্ন করেই রাসুলকে প্রেরন করেছেন ইসলামকে বিজয় করার জন্য বিধর্মীদের বানো য়াট মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্ম থেকে।
যদি,কিয়াস,ও ইজমাই ইসলামের কবর রচনা করে,বিধর্মীদের মনগড়া কিয়াস ইজমার ধর্মের বিজয় করে!!! কিয়াস ইজমা ফিকাহর মাযহাবের নামাজ,যাকাত,রোজা হজ্জ ও সকল আমল সহকারেই সে কাফির, তার স্হানই জাহান্নাম।
ক | ইসলামী জ্ঞানের উৎসের প্রচলিত তালিকায় যা মাদ্রাসায় শিখানো হয় এবং অনেক সাধারন মুসলমানও জানে ১| কুরআন ২| হাদীস ৩|ইজমা ও ৪| কিয়াস, এই ৪ টি থেকে কিয়ামত
অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান ও ইসলাম বুঝতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞান-গরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুশ শাশী,প্রকা শক আল-আকসা লাইব্রেরী ঢাকা।
প্রকাশকাল-০৯.১১.২০০৪ কওমী ও আ
লীয়া মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
খ | সনদসহ জাল হাদীস তৈরী করে,
কুরঅান সহীহ ও সুন্নাহর জ্ঞান থেকে
দূরে সরানোর জন্যে মুসলিম সমাজে
ছাড়িয়ে দেয়।
ইমাম বুখারী(রহঃ)প্রায় ছয় লক্ষ
হাদীস বাছাই করে মাএ ২৫০০ -২৭০০
হাদীস তাঁর মতে সহীহ পেয়েছিলেন,
এখান থেকে বুঝা যায় হাদীসের জ্ঞনে ভূল ঢুকানোর জন্যে ইহুদী খ্রীষ্টানরা কী ব্যাপক কাজ করেছে।ঐ হাদীসের অধিকাংশে বাদ দেয়া সম্ভব হলেও এখনও ঐ বনানো হাদীসের মাধ্যমে ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হচ্ছে।
কিছু ক্ষেএে শক্তিশালী সহীহ হাদী স থাকা সত্বেও দূর্বল হাদীসের ভূল
ব্যাখাকে দলিল ধরে ভূল তথ্য তৈরি
করেছে।এবং কুরআন ও শক্তিশালী সহীহ হাদীসের ঐ বিষয়ের সরল বক্ত ব্যকে আমলেই আনা হয়নি বা অভি নবভাবে ব্যাখ্যা করে তার সাথে মিলানো হয়েছে।
গ| ফিকাহ শাস্রে ভূল ঢুকানোর পর কুরআন-হাদীস থেকে সরাসরি ইসলাম জানার পরিবর্তে ফিকাহ শাস্ত্রে হতে ইসলাম জানতে মুসলিম দেরকে উৎসাহিত করার জন্য ইহুদী,
খ্রীষ্টনদের গোয়েন্দারা বিভিন্ন কথা বানিয়েছে এবং মাদ্রাসার সিলেবাসে
ঢুকিয়ে দিয়ে সেগুলোর ব্যাপক প্রচারে র ব্যবস্হা করেছে।যেমনঃ-
১|- - - - -কুরআন ও সুন্নাহ হইতে আইন-কানুন খুঁজে বের করে সমস্যা র সমাধান করা বহু সময় সাপেক্ষ ও
কষ্টসাধ্য।- - - -(বিভিন্ন বিষয়ে গভীর
জ্ঞান না থাকা অবস্হায়) কুরআন ও সুন্নাহ ব্যাখ্যা করে সৎপথের সন্ধান করতে চাইলে সৎপথ পাওয়ার চাইতে
পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাক বে।ফকীহগনের এ বিষয়ে পূর্ন ব্যৎপ ত্তি ছিল।তারা সকল বিষয় পূর্নাঙ্গভা বে বিবেচনা করে কুরআন ও সুন্নাহর
ভিত্তিতে ফিকাহ শাস্র সম্পাদন করে ছেন।এখন কুরঅান সুন্নাহর আইন বলতে ফিকাহ শাস্রকেই বুঝান হয়ে থাকে।
(আল-মুখ-তাসারুল কুদুরী আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্র ন।পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরা ফাত পাবলিকেশন্স,৩ য় সংস্করন
সেপ্টেম্বর ২০০৬ ইং পৃষ্ঠা-৬।কওমি এবং আলিয়া মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
২| হযরত ইমাম মালেক (রঃ)নিজ ভাগ্নে আবু বকর ও ইসমাইল (রঃ)
কে বলেন-আমি দেখছি যে,হদীস চচ্চার প্রতি তোমাদের আগ্রহ অধিক। তবে যদি কল্যান চাও তবে তোমরা হাদীসের রেওয়ায়েত কম কর এবং ইলমে ফিকাহ বেশি অর্জন কর।
(আল-মুখতাসারুন কুদুরী, আরাফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইং সালের নতুন সংস্করন,জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১১,আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্য বই)
৩| এমনি (ইসলামের প্রসারের) যুগস ন্ধিক্ষনে তাবেয়ী যুগের শেষ দিকে সত্যের পুজারী আলেম সমপ্রদায়ের জামায়াত কুরআন ও সুন্নাহকে সাম নে রেখে তাদের মূলনীতি অনুসরন করে এমন আইনশাস্র প্রনয়ন করলে ন যা সর্বযুগে,সর্বদেশ,সকল অবস্হা য় ও সকল সমস্যার সমাধানে সক্ষম ।এটাই আজ দুনিয়ার বুকে ফিকাহ ইসলামী নামে সুপতিষ্ঠিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী আরা ফাত পাবলিকেশন্স ২০০১ ইংসালের নতুন সংস্করন জানুয়ারী ২০০৮ এ পুনঃমুদ্রন পৃষ্ঠা ১০ এবং শরহে বেকায়া,আরাফাত পাবলিকেশন্স ৩য়
নংস্করন,সেপ্টম্বর ২০০৬ ইংপৃষ্ঠা ৫। আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
৪| মাযহাবের ইমামগন কুরআন ও সুন্নাহের কোন স্হানের কিরুপ ব্যাখ্যা করে কি মাসয়ালা বা কি আইন রচ না করেছেন তা সম্যকরুপে অবগত না হয়ে আমাদের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ হতে মাসয়ালা বের করা বা ব্যাখ্যা করা আদৌ বৈধ হবে না।অত এব ফিকাহ শাস্রের পূর্ন জ্ঞানার্জনের পর কুরআন ও সুন্নাহ অনুশীলন করা উচিত।
(আল-মুখতাসারুল কুদুরী মাদ্রাসার ৯ ম ও ১০ম শ্রেনীর পাঠ্য,সপ্তম প্রকাশ,পৃষ্ঠা-৯)
ফিকাহ শাস্র অনেক ব্যাপক।তাই ফিকাহের সকল বই পড়ে শেষ করা প্রায়
অসম্ভব।এ তথৎটি সত্য বলে মেনে নেয়ার কারনে,কুরআন ও হাদী স নিয়ে স্বাধীনভাবে
গবেষনা করার সাহস কেউ পায়না বা খুব কম ব্যক্তি ই পায়।
কুরআন আল্লাহ সহজ করে দিয়েছে ন গবেষনা করে বুঝা,মানা ও অনুসর ন করা ও আল্লাহর ইবাদত করে মুস লিম হওয়ার জন্যে।
ভূল তথ্যগুলোর সংস্কারের পথ
গোয়েন্দারা যেভাবে বন্ধ করেছেঃ-
প্রথমে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ-তথ্যটি তৈরী করা হয়ে ছে।তারপর মাদ্রাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে এবং অন্যভাবে কথাটির ব্যা পক প্রচার এবংগ্রহনযোগ্যতা পাওয়া র ব্যবস্হা করা হয়েছে।
১| পূর্বে ইজমা হয়ে আছে তাই এ বিষয়ে আর গবেষনা করা যাবে না-কুরআন ও সুন্নাহর সম্পূর্ন বিরদ্ধে এ কথাটি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়ে ছে।তথ্যটির মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে,ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে পূর্বের মনীষীগনের সামষ্টিক সিদ্ধান্ত ফিকা হ শাস্ত্রের মধ্যে লিপিবদ্ধ অাছে।তাই এখন গবেষনা করে ঐ সিদ্ধান্তের কোনরুপ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাবে না।
২| মাদ্রাসার পাঠ্য বইয়ে এমন তথ্য লিখে রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে
ছাএরা জানতে পারে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ।যেমনঃ-
ক| ইসলামী বিধানের মূল বুনিয়াদ হল ৪ টি। কুরাআন,সুন্নাহ,ইজমা, কি য়াস।কিয়ামত অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান এ ৪ টি থেকে বের করতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞানগরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুকাশাশী প্রকাশ ক, আল-আকসা লাইব্রেরী,ঢাকা।
প্রকাশ কাল ০৯-১১-২০০৪,আলিয়া ও
কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
খ| ১ ম ও ২ য় যুগের (হিজরী ৭ম শতাব্দির মাঝামাঝি সময়) মুজতা হিদগন এমন একটি পূর্নাঙ্গ ফিকাহ শাস্র দান করিয়া গিয়াছেন যাহাতে মানব জীবনের প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ।
ওদের গভীর ষড়যন্ত্রের পূর্নাঙ্গ তুলে ধরতে গেলে মহামূল্যবান সময়
নষ্ঠ হবে এক কথায় বলতে গেলে কুর অান ও সুন্নাহর জীবন ব্যবস্হা সম্পূ র্ন পরিবর্ন করে ওদের ধর্ম রেখে গেছে।এখন এই বাতিল ধর্ম থেকে বাচতে হলে সকল দলের,সকল মানু ষের কুরঅান গবেষনা করে একে অপরেরর নিকট তাবলীগ করতে হবে,শিরক বেদাতি সকল বইগুলি মসজিদ, মাদ্রাসা ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাড়াতে হবে,একমাএ কুরআন ও সহীহ হাদীস গ্রন্হগুলি রেখে।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"যে ব্যক্তি ইস লামকে পূর্নজীবিত করার উদ্দেশ্যে বিদ্যা শিক্ষা করে এবং শিক্ষাকালীন
অবস্হায় মুত্যুবরন করে জান্নাত তা হার এবং নবীদের মধ্যে কেবলমাএ একটি দরজার পার্থক্য থাকিবে।"
(সহীহ বুখারী)
মানুষের আমলে জান্নাতে যাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নাই,আমলে জাহান্না
মে যাওয়ার নিশ্চয়তা আছে! জাহান্না ম থেকে বাচার জন্য কিয়াস ইজমার
ফিকাহর আমল ত্যাগ করি আল্লাহর
দেওয়া দৈনন্দীন জীবন ব্যবস্হা পূর্ন জীবিত করার চেষ্টা সাধনা গবেষনা করে আল্লাহর স্হায়ী বসবাসের নেয়া
মতপূর্ন জান্নাতের আশা করি,পীর বুজুর্গদের ধোকা থেকে নিজেদেরকে হেফাজত করি।
হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে দিয়ে
তোমার দ্বীন ইসলামকে পূর্নজীবিত
কর,আমাদেরকে ঈমানদার মুসলিম করে মুত্যু দিও।
(আমীন)
কুরআন আল্লাহ সহজ করে দিয়েছে ন গবেষনা করে বুঝা,মানা ও অনুসর ন করা ও আল্লাহর ইবাদত করে মুস লিম হওয়ার জন্যে।
ভূল তথ্যগুলোর সংস্কারের পথ
গোয়েন্দারা যেভাবে বন্ধ করেছেঃ-
প্রথমে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ-তথ্যটি তৈরী করা হয়ে ছে।তারপর মাদ্রাসার সিলেবাসে ঢুকিয়ে এবং অন্যভাবে কথাটির ব্যা পক প্রচার এবংগ্রহনযোগ্যতা পাওয়া র ব্যবস্হা করা হয়েছে।
১| পূর্বে ইজমা হয়ে আছে তাই এ বিষয়ে আর গবেষনা করা যাবে না-কুরআন ও সুন্নাহর সম্পূর্ন বিরদ্ধে এ কথাটি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়ে ছে।তথ্যটির মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে,ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে পূর্বের মনীষীগনের সামষ্টিক সিদ্ধান্ত ফিকা হ শাস্ত্রের মধ্যে লিপিবদ্ধ অাছে।তাই এখন গবেষনা করে ঐ সিদ্ধান্তের কোনরুপ পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যাবে না।
২| মাদ্রাসার পাঠ্য বইয়ে এমন তথ্য লিখে রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে
ছাএরা জানতে পারে ফিকাহ শাস্রের সংস্করন করা নিষিদ্ধ।যেমনঃ-
ক| ইসলামী বিধানের মূল বুনিয়াদ হল ৪ টি। কুরাআন,সুন্নাহ,ইজমা, কি য়াস।কিয়ামত অবধি ঘটমান সকল সমস্যার সমাধান এ ৪ টি থেকে বের করতে হবে।এর বাইরে ব্যক্তিগত জ্ঞানগরিমা বা মেধার আলোকে যে যতই সুন্দর সুষ্ঠ সমাধান বের করবে ইসলামে তার কোন মূল্য নেই।
(পেশ কালাম,উসূলুকাশাশী প্রকাশ ক, আল-আকসা লাইব্রেরী,ঢাকা।
প্রকাশ কাল ০৯-১১-২০০৪,আলিয়া ও
কওমী মাদ্রাসার পাঠ্যবই)
খ| ১ ম ও ২ য় যুগের (হিজরী ৭ম শতাব্দির মাঝামাঝি সময়) মুজতা হিদগন এমন একটি পূর্নাঙ্গ ফিকাহ শাস্র দান করিয়া গিয়াছেন যাহাতে মানব জীবনের প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ।
ওদের গভীর ষড়যন্ত্রের পূর্নাঙ্গ তুলে ধরতে গেলে মহামূল্যবান সময়
নষ্ঠ হবে এক কথায় বলতে গেলে কুর অান ও সুন্নাহর জীবন ব্যবস্হা সম্পূ র্ন পরিবর্ন করে ওদের ধর্ম রেখে গেছে।এখন এই বাতিল ধর্ম থেকে বাচতে হলে সকল দলের,সকল মানু ষের কুরঅান গবেষনা করে একে অপরেরর নিকট তাবলীগ করতে হবে,শিরক বেদাতি সকল বইগুলি মসজিদ, মাদ্রাসা ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তাড়াতে হবে,একমাএ কুরআন ও সহীহ হাদীস গ্রন্হগুলি রেখে।
রাসুল(সঃ)বলেছেনঃ"যে ব্যক্তি ইস লামকে পূর্নজীবিত করার উদ্দেশ্যে বিদ্যা শিক্ষা করে এবং শিক্ষাকালীন
অবস্হায় মুত্যুবরন করে জান্নাত তা হার এবং নবীদের মধ্যে কেবলমাএ একটি দরজার পার্থক্য থাকিবে।"
(সহীহ বুখারী)
মানুষের আমলে জান্নাতে যাওয়ার কোন নিশ্চয়তা নাই,আমলে জাহান্না
মে যাওয়ার নিশ্চয়তা আছে! জাহান্না ম থেকে বাচার জন্য কিয়াস ইজমার
ফিকাহর আমল ত্যাগ করি আল্লাহর
দেওয়া দৈনন্দীন জীবন ব্যবস্হা পূর্ন জীবিত করার চেষ্টা সাধনা গবেষনা করে আল্লাহর স্হায়ী বসবাসের নেয়া
মতপূর্ন জান্নাতের আশা করি,পীর বুজুর্গদের ধোকা থেকে নিজেদেরকে হেফাজত করি।
হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে দিয়ে
তোমার দ্বীন ইসলামকে পূর্নজীবিত
কর,আমাদেরকে ঈমানদার মুসলিম করে মুত্যু দিও।
(আমীন)